মিশন সাজেক ভ্যালি পর্ব-২

কিভাবে যাবেন সাজেক ভ্যালি

?  মিশন সাজেক ভ্যালির দ্বিতীয় পর্বে আমরা তেমন কিছুই জানবো না । জানবো শুধু ভ্রমনের স্থান গুলোর নাম বলবো। সাজেক মানে শুধু সাজেক না, বিষয়টা অনেকটা এই রকম যে একটি কিনলে একটি ফ্রি। চলুন জানি কি কি ফ্রি পাবেন, প্রথমে পাবেন আলুটিলা গুহা,সার্কেট হাউস, যেখান থেকে আপনি পুরো খাগড়াছড়ি শহরটি দেখতে পাবেন।
একদমি ভুল করবেন না রিচাংঝর্না দেখতে একদমি ভুল করবেন না। মনে রখবেন অবশ্যই মনে রাখবেন যে!!  যখন চান্দের গাড়ি রিসার্ভ করবেন তখন অবশ্যই ড্রাইভারিকে জিজ্ঞাস করবেন সে কোথায় কোথায় আপনাকে ঘুরাতে নিয়ে যাবে। তখন অবশ্যই লোকেশ গুলোর নাম বলে রাখবেন।



এই বার বলবো গাড়ির কথা-
 ঢাকা টু খাগড়াছড়ি = শ্যামলী , হানিফ ভাড়া= ৫২০
শ্যামলী পরিবহন  কল্যানপুর= ৯০০৩৩৩১

খাগড়াছড়ি থেকে সাজেক চান্দের গাড়ি ভাড়া নিয়ে ৮০০০ থেকে ১০০০০ আরো কমেও যেতে পারবেন অবশ্যই তাদের সাথে কথা বলে দাম কশাকশি করে নিবেন।

সাজেকে থাকা নিয়ে চিন্তার তেমন কিছুই নেই। যথেষ্ট কটেজ আছে আপনি গিয়ে পচন্দ মত একটা কটেজে উঠতে পারেন আমি শুধু একটি মত্র কটেজের নাম্বার দিচ্ছি ।

মেঘ মাচাংঃ ০১৮২২১৬৮৮৭৭ ।

লেখাটা আরো দীর্ঘায়িত না করে আপনার সাজেকের ঊদ্দেশ্যে রওনা হাওয়ার আহ্বান জানিয়ে শেষ করবো । ধন্যবাদ সবাইকে কোন তথ্য জানতে চাইলে অবশ্য কমেন্ট করতে পারেন ।

 
Continue Reading

মিশন সাজেক ভ্যালি

 

ভ্রমন পিপাসুদের জন্য আমার সামান্য প্রচেষ্টা সবসময় থাকবে 


চলুন আজকে ঘুরে আসি সাজেক ভ্যালি থেকে। বাংলাদেশের মত ছোট একটা দেশে দেখার কত কিনা আছে। ভ্রমন পিয়াসুদের জন্য সাজেক ভ্যালে প্রকৃতির সুন্দরের আরেক লিলা ভুমি। প্রকৃতির এই সুন্দর কে সহজে উপভোগ করে তোলার জন্য কাজ করেছে এবং করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে এই সুন্দর উপভোগ করতে আসতে পারেন সপরিবারে কেননা এটি পাহাড়ি পথ হলেও যাতায়তের সুব্যাবস্থা আছে। আর্মিরা এইখানে রাস্তা ঘাটগুলো সুন্দর ভাবে তৈরি করেছেন।

চলুন এইবার যাওয়া যাক কিভাবে যেতে পারেন আপনি সাজেক। আপনি বাংলাদেশের যেপ্রান্তেই থাকুন না কেন আপনে প্রথমে আসতে হবে খাগড়াছড়ি। আপনি যদি পৃথিবীর অন্য কোন প্রান্তে থাকেন কোন সমস্যা নাই, বাংলাদেশের ভিসা নিয়ে চলে আসতে পারেন। আপনি যখন খাগড়াছড়ি চলে আসবেন তার পর থেকে আপনাকে শুরু করতে হবে মুল প্ল্যান, তার আগে বলে রাখি ঢাকা থেকে যারা আসতে চান তারা শ্যামলি, হানিফ এই বাস গুলো পাবেন , চেষ্টা করবেন টিকেট গুলো ভ্রমনের দুই থেকে তিন দিন আগে টিকেট কেটে রাখবেন। তাহলে ভ্রমন সহজ হবে। এইবার যাওয়া যাক সাজেকের দিকে ......। 
J 



   হুররে আমরা এখন যাবো সাজেক ভ্যালি !! কি মজা কি মজা ... 
খাগড়াছড়ি আসার পর আপনার প্রথম কাজ চান্দের গাড়ি ঠিক করা , বাস আপনাকে   যেখানে নামিয়ে দিবে সেই খানে চান্দের গাড়ি পাবেন অথবা একটু সামনে এগিয়ে গিয়ে শাপলা চত্বরে গেলেও পাবেন। চেষ্টা করবো কয়েক জন ড্রাইভারের নাম্বার দিতে।  








বলে রাখা ভালো বর্তমানে চান্দের গাড়ি গুলো আর্মিদের নিরাপত্তায় সাজেকে যায়, তাই গাড়ি দিনে দুই বার যায় একবার যায় সকালে আরেকবার যায় দুপুরে, বিকেল ৩টার পরে কোন গাড়ি সাজেকের উদ্দ্যেশে রওনা করতে পারেন না। তাই আপনারা যারা দেশের ভিবিন্ন স্থান থেকে আসবেন তারা অবশ্যই সকালের মধ্যে আসতে হবে তা না হলে খাগাড়াছড়ি অবস্থান করতে হবে। আসলে এই বিষয়টা আপনার আপনি কি খাগড়াছড়ি অবস্থান করবেন নাকি করবেন না তা আপনার ব্যাপার আমি শুধু আপনাকে জানিয়ে দিলাম।










 এইবার চলুন গাড়ি ভাড়ার কথা আপনি যখন চান্দের গাড়ি ভাড়া করবেন তখন অবশ্যই মনে রাখবেন, সে আপনাকে কোথায় কোথায় ঘুরাতে নিয়ে যাবে । কেননা এই একটা চান্দের গাড়িতে করে আপনি সাজেক যাবেন তারপরে, আলুটিলা গুহা, তারেং, ঝর্না। সবকটি যায়গায় যেতে পারবেন। ভাড়া দিবেন ৬০০০ থেকে ৭০০০টাকা । সুতারাং এই বিষয়টা মাথায় রাখবেন । আর গাড়ি আপনাদের সাথে থাকবে দুই দিন।

গাড়িও পেয়ে গেলেন গাড়ির দাম ও হল এইবার গাড়িতে উঠে বসুন। অনেক কিছুই তো বললাম খাবার-দাবার কি হবে না? অবশ্যই হবে! তবে নিজ দায়িত্বে। খাগড়াছড়ি যদি খুব খুদা লাগে তাহলে খাগড়াছড়ি খেয়ে নিবেন বেশ কিছু হোটেল আছে। এই ক্ষেত্রে আমার অভিজ্ঞতা খুব একটা নেই , তবে সুযোগ পেলে ব্যাম্বো চিকেন বা রাইস খেতে ভুলবেন না। মোটামুটী জনপ্রিয় খরচ একটু বেশি।





কষ্ট করে চান্দের গাড়িতে আরাম করে বসেন!! :P গাড়ি রওনা হয়ে গেলো সাজেক ভ্যালির উদ্দেশে । মাঝ পথে আপনাদের থামতে হবে আর্মিদের থেকে অনুমতি নেওয়ার জন্য । অনুমতি টনুমতি নিয়ে বো-বো-বো করে গাড়ি চলছে সাজেকের উদ্দেশ্যে। কোথাও উচু কোথাও নিছু একবার উপরে উঠবে আবার নিছে নামবে এইভাবে চলতে থাকবে. গাড়ি থামা থামির নাম নেই একসাথে স্যাজেক ভেলি। 

ওহোও ! আসল কথাই তো বলতে ভুলে গেছি । আপনারা চাইলে গাড়ির চাদে করেও যেতে পারেন যদি মনে সাহস থাকে , তবে রাজন ভাইয়ের মত কেই থাকলে ঊঠার ধরকার নাই । 



Continue Reading

সাদা কালো মেঘ

হারতে হারতে, কাঁদতে কাঁদতে, 
কোথায় গিয়ে থামবে আমার তরী। 
এই ধরনী ধরতে গিয়ে, বলতে হল হায়। 
কোথায় সবাই মুখ লুকিয়ে যায়। 

এই তরীতে একলা আমি, কোথায় আমার তির। 
কোথায় আমার স্বপ্ন গুলো, কোথায় আমার বাড়ি
হারতে হারতে হারিয়ে গেলাম।
নেইকো আমার খোজ, এই বুঝি হায়!!
অবুজ মনের নেইকোন বুঝ।




Continue Reading