মিশন সাজেক ভ্যালি
ভ্রমন পিপাসুদের জন্য আমার সামান্য প্রচেষ্টা সবসময় থাকবে।
চলুন আজকে ঘুরে আসি সাজেক ভ্যালি থেকে। বাংলাদেশের মত ছোট একটা দেশে দেখার কত কিনা আছে। ভ্রমন পিয়াসুদের জন্য সাজেক ভ্যালে প্রকৃতির সুন্দরের আরেক লিলা ভুমি। প্রকৃতির এই সুন্দর কে সহজে উপভোগ করে তোলার জন্য কাজ করেছে এবং করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে এই সুন্দর উপভোগ করতে আসতে পারেন সপরিবারে কেননা এটি পাহাড়ি পথ হলেও যাতায়তের সুব্যাবস্থা আছে। আর্মিরা এইখানে রাস্তা ঘাটগুলো সুন্দর ভাবে তৈরি করেছেন।
চলুন এইবার যাওয়া যাক কিভাবে যেতে পারেন আপনি সাজেক। আপনি বাংলাদেশের যেপ্রান্তেই থাকুন না কেন আপনে প্রথমে আসতে হবে খাগড়াছড়ি। আপনি যদি পৃথিবীর অন্য কোন প্রান্তে থাকেন কোন সমস্যা নাই, বাংলাদেশের ভিসা নিয়ে চলে আসতে পারেন। আপনি যখন খাগড়াছড়ি চলে আসবেন তার পর থেকে আপনাকে শুরু করতে হবে মুল প্ল্যান, তার আগে বলে রাখি ঢাকা থেকে যারা আসতে চান তারা শ্যামলি, হানিফ এই বাস গুলো পাবেন , চেষ্টা করবেন টিকেট গুলো ভ্রমনের দুই থেকে তিন দিন আগে টিকেট কেটে রাখবেন। তাহলে ভ্রমন সহজ হবে। এইবার যাওয়া যাক সাজেকের দিকে ......। J
খাগড়াছড়ি আসার পর আপনার প্রথম কাজ চান্দের গাড়ি ঠিক করা , বাস আপনাকে যেখানে নামিয়ে দিবে সেই খানে চান্দের গাড়ি পাবেন অথবা একটু সামনে এগিয়ে গিয়ে শাপলা চত্বরে গেলেও পাবেন। চেষ্টা করবো কয়েক জন ড্রাইভারের নাম্বার দিতে।
বলে রাখা ভালো বর্তমানে চান্দের গাড়ি গুলো আর্মিদের নিরাপত্তায় সাজেকে যায়, তাই গাড়ি দিনে দুই বার যায় একবার যায় সকালে আরেকবার যায় দুপুরে, বিকেল ৩টার পরে কোন গাড়ি সাজেকের উদ্দ্যেশে রওনা করতে পারেন না। তাই আপনারা যারা দেশের ভিবিন্ন স্থান থেকে আসবেন তারা অবশ্যই সকালের মধ্যে আসতে হবে তা না হলে খাগাড়াছড়ি অবস্থান করতে হবে। আসলে এই বিষয়টা আপনার আপনি কি খাগড়াছড়ি অবস্থান করবেন নাকি করবেন না তা আপনার ব্যাপার আমি শুধু আপনাকে জানিয়ে দিলাম।
গাড়িও পেয়ে গেলেন গাড়ির দাম ও হল এইবার গাড়িতে উঠে বসুন। অনেক কিছুই তো বললাম খাবার-দাবার কি হবে না? অবশ্যই হবে! তবে নিজ দায়িত্বে। খাগড়াছড়ি যদি খুব খুদা লাগে তাহলে খাগড়াছড়ি খেয়ে নিবেন বেশ কিছু হোটেল আছে। এই ক্ষেত্রে আমার অভিজ্ঞতা খুব একটা নেই , তবে সুযোগ পেলে ব্যাম্বো চিকেন বা রাইস খেতে ভুলবেন না। মোটামুটী জনপ্রিয় খরচ একটু বেশি।
কষ্ট করে চান্দের গাড়িতে আরাম করে বসেন!! :P গাড়ি রওনা হয়ে গেলো সাজেক ভ্যালির উদ্দেশে । মাঝ পথে আপনাদের থামতে হবে আর্মিদের থেকে অনুমতি নেওয়ার জন্য । অনুমতি টনুমতি নিয়ে বো-বো-বো করে গাড়ি চলছে সাজেকের উদ্দেশ্যে। কোথাও উচু কোথাও নিছু একবার উপরে উঠবে আবার নিছে নামবে এইভাবে চলতে থাকবে. গাড়ি থামা থামির নাম নেই একসাথে স্যাজেক ভেলি।
ওহোও ! আসল কথাই তো বলতে ভুলে গেছি । আপনারা চাইলে গাড়ির চাদে করেও যেতে পারেন যদি মনে সাহস থাকে , তবে রাজন ভাইয়ের মত কেই থাকলে ঊঠার ধরকার নাই ।








