ব্যাসিক গ্রাফিক্স ডিজাইন পরিচিতি

 আজকে আমরা জানবো ব্যাসিক গ্রাফিক্স ডিজাইন সম্পর্ক্যে । গ্রাফিক্স ডিজাইন হচ্ছে একটি স্থির ছিত্র যেখানে আমরা ছবি অংকন করি । 

আমরা বলতে পারি , ডিজিটাল প্রোসেসে গ্রাফের মধ্যে সাধারনত আমরা গ্রাফিক্স ডিজাইন করে থাকি । গ্রাফিক্স ডিজাইন করার জন্য অবশ্যই কম্পিউটা ধরকার এবং ডিজাইন করার জন্য ধরকার সফটোয়ার । 
গ্রাফিক্স ডিজাইন করার জন্য অনেক ধরনের সফটওয়ার আছে তার মধ্য এডবি ইলাস্টেটর এবং ফটোশপ অনেক বেশি জনপ্রিয় । 

গ্রাফিক্স ডিজাইনের কিছু ঊদ্দেশ্য আছে এবং বর্তমানে আমরা এত বেশি ডিজিটাল ডিভাইসের উপর ডিপেন্ডেন্ড তাই মোবাইল ডিভাইসের আমরা যা কিছু দেখি তার অধিকাংশ কাজই হয় এডবি ফটশপে অথবা এডবি ইলেস্টাটরে । 

গ্রাফিক্স ডিজাইনারের বর্তমানে কাজের পরিধীর অনেক বেশি । গ্রাফিক্স ডিজাইনার মানেই এখন আর ছবি প্রিন্ট না । প্রিন্টের বাহিরে অনেক কাজ আছে । টেক্সটাইল ইন্ডাসটিতে এখন গ্রাফিক্স ডিজাইনের ব্যাপক চাহিদা । এখন ফ্যাশন ডিজাইনারের গ্রাফিক্স ডিজাইন জানা খুব দরকার । 


Continue Reading

ক্যান্সার নিরাময় যোগ্য

পৃথিবীতে মানুষ স্থায়ী ভাবে বসবাস করতে আসেনি। আজ হোক কাল হোক তাকে মৃত্যু বরন করতে হবে এমন সত্য কে মেনে নিয়েই আমাদের পথচলতে হয়। কিন্তু মানুষ জানে না তার মৃত্যু তারিখ তাই সে স্বপ্ন বুনে অনেক দিন বেঁচে থাকার । আর মানুষ যদি জানতো তার মৃত্যুর তারিখ তাহলে পৃথিবীটা স্থীর হয়ে যেতো। থেমে যেতো পৃথিবীর মানুষের এই কর্ম ব্যাস্ততা। তাই আমি মনে করি ক্যান্সার নিরাময় যোগ্য 

বর্তমানে এই কর্ম ব্যাস্ততাকে থামিয়ে দিচ্ছে ক্যান্সার নামক মরন ব্যাধি। মানুষের শরিরে যখন ক্যান্সার নামক জীবানু একবার তৈরি হয়  মানুষ এমন কি একটা পরিবারের জন্য সারা জীবনের জন্য কান্নার কারন হয়ে যায় ।

আমি বলবো একটু ভিন্ন ভাবে। মরন যেহেতু সুনিশ্চিত তখন এই ক্যান্সারকে ভয় করে কোন লাভ নেই। আপনার মনের শক্তিকে আরো জোরালো করেন। এইটা ভাবতে শুরু করেন যে ক্যান্সারের কারনে আপনার মৃত্যু হচ্ছে না মৃত্যু হচ্ছে আল্লহা চাইছে , আর আপনার মৃত্যু হবে তাই মৃত্যু । ক্যান্সার একটা কারন হতে পারেন তবে প্রধান কারন নয়।

আমি ডাক্তার না, তাই আপনাদের কে ক্যান্সারের কারন বলতে পারবো না এবং চিকিৎসা বলতে পারবো না তবে কিছু তথ্য দিতে পারবো যা আপনাকে সাহায্য করবে মনে সাহস নিয়ে সঠিক চিকিৎসা করতে। ক্যান্সারের চিকিৎসা অনেকটা ব্যায় বহুল তাই আমি কিছু তথ্য দিব যাতে করে আপনি খরচ কমাতে পারেন এবং সঠিক চিকিৎসা নিতে পারেন।

চলুন জানা যাক কিভাবে চিকিৎসা শুরু করা যায়। তার আগে বলে রাখি পৃথিবীতে ভিবিন্ন ধরনের ক্যান্সার আছে যেমন ব্রোন ক্যান্সার , ব্রেস্ট ক্যান্সার , জরায়ুতে ক্যান্সার, স্কিন ক্যান্সার দেহের প্রতিটি অঙ্গ প্রত্যঙ্গে ক্যান্সার হতে পারে । কেননা ক্যান্সারের পূর্ব শর্ত টিউমার । ক্যান্সার একা একা জন্ম হয় না। এবং ভাইরাস জাতীয় রোগ না । ক্যান্সার সাধারনত টিউমার থেকে হয়ে থাকে ।

যাই হোক চলুন জানা যাক ক্যান্সারের চিকিতসা বিষয়ে। একজন অনকোলজিস্ট বলতে পারে আপনার ক্যান্সার হয়েছে কিনা? একজন সাধারন ডাক্তার বলতে পারে তবে মনে রাখতে হবে অনকোলজিস্টের কাজই হচ্ছে ক্যান্সার নিরাময় করা চিকিৎসা করা। একজন অনকোলজিস্ট যদি বলে থাকেন আপনার ক্যান্সার তাহলে আপনার ক্যান্সার।



 সাধারনত এই ভিবাগের ডাক্তাররা বেশ দক্ষ এবং মানুষের জন্য নিবেদিত , দুই একজন ছাড়া। আপনার ক্যান্সার হয়েছে এই বিষয়টা শিউর হওয়ার জন্য আপনাকে অনেক গুলো টেস্ট করতে হবে তবে তার মধ্যে দুইটা টেস্ট আছে যার মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারবেন আপনার ক্যান্সারের অবস্থা এবং আধো কি ক্যান্সারের জীবানু আপনার শরীরে আছ কিনা। টেস্ট দুইটা হচ্ছে এফএনেসি বা বায়োপসি। এই দুইটি টেস্টের মাধ্যমে সাধারনত ক্যান্সার নির্নয় করা হয়ে থাকে এর পরে আপনাকে আরো অনেক গুলো টেস্ট করতে হবে ক্যান্সারের আকার আকৃতি অবস্থা এবং কি ধরনের মেডিসিন দিতে হবে এই জন্য ।  আজকে এই পর্যন্ত !

আমি নিজেকে একজন ক্যান্সার সচেতন কর্মি হিসাবে বলছি ।
চাইলে আমাদের ফেইসবুক গ্রপে  এড হতে পারেন ।

Continue Reading

চেন্নাই ভ্যালোর হসপিটালা সিএমসি

সবাই সালাম গ্রহন করবেন । কেমন আছেন ? এক বড় ভাইয়্যা চেন্নাই সিএমসি হসপিটালে কিভাবে যাওয়া যায় তার ব্যাপারে জানতে চেয়েছিলো। বলেছিলাম ! হটাত মনে হল চাইলে বিষয়টা নিয়ে লিখে রাখতে পারি কারো যদি উপকারে আসে ।

আমাদের মনের মধ্যে কিছু প্রশ্ন আছে আগে প্রশ্ন গুলো করে তার পরে উওর খুজবো। একেক মানুষের একেক ধরনের অসুস্থতা আবার একেক চাহিদা । সো আমি আমার অভিমত এবং হসপিটালের অবস্থা তুলে ধরবো বাকিটা আপনাদের ইচ্ছে ।

১। হসপিটালটা কেমন এবং কোথায় ?
২। চিকিৎসা ব্যাবস্থা কেমন ?
৩। কিভাবে এই হসপিটালে যেতে হয় ?
৪। খরচ কেমন , চিকিৎসা ব্যায় খুব বেশি ?
৫। কিভাবে চিকিৎসা নিতে হয় ?
৬। থাকা এবং খাওয়া ব্যাবস্থা কি ?
৭। ডাক্তারদের মান কেমন ?


মনের মধ্যে আরো হাজার রকমের প্রশ্ন আছে আমি হয়তো সকল প্রশ্নের উওর দিতে পারবো না কিন্তু কিছু মৌলিক প্রশ্নের সমাধান পাবেন ইনশাল্লাহ ।

হসপিটালটা কেমন বললে বলবো ভালো । হসপিটাল মানেই আমরা যা বুঝি তাই । কিন্তু এই হসপিটালটা দেখতে আমাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজের মত হলেও ঢাকা মেডিকেল থেকে বেশি পরিস্কার এবং অনেক বড় জায়গা জুড়ে। অনেক গুলো ভবন আছে এই হসপিটালে ।

মুলত এই হসপিটাল একটা ট্রাষ্টির আন্ডারে। এই হসপিটালটার পেছনে আছে আরেক গল্প । সে গল্প না হয় আন্য একদিন করা যাবে ।

হসপিটালটা ভারতের চেন্নাইতে অবস্থিত। চেন্নাই মানে চেন্নাই শহরে না । চেন্নাই শহর থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরে ভ্যালোর নামে একটা গ্রামে অবস্থিত । ভ্যালোর গ্রামটা বেশ পুরানো। আমরা অনেকেই  টিপু সুলতানের নাম শুনেছি এইখানে টিপু সুলতানের বাড়ি। যাই হোক মুলত এটি চেন্নাই ভ্যালুর অবস্থিত। এবং হসপিটালের নাম সিএমসি CMC ।



গুগোল ম্যাপে দেখতে পারেন হসপিটালের লোকেশন । সিএমসি হসপিটাল


চিকিৎসা ব্যাবস্থা নিয়ে আমার তেমন কোন খারাপ কিংবা ভালোমতামত নেই । এইখানে কে ডাক্তার আর কে ডকাক্তার না বুঝা যায় না। আমাদের দেশের ডাক্তারদের মত এপ্রন পরে সবাই ঘুরে না। আর এত কোয়ালিপিকেশন দেখি নাই নামের পাশে । তবে যা দেখেছি ডাক্তাররা সবার কথা শুনে। আপনি বাংলা বললেও বুঝে হিন্দি, ইংলিশ যাই বলেন। তবে এইখানকার সিস্টেম খুবি স্লো। বাংলাদেশের যেমন নিয়ম কানুন না মেনে সিরিয়ালে ঠুকা যায় এইখানে তা করা যায় না তবে অনেক স্লো। এই হসপিটালে দালাল নেই । তাই যারা দালালকে টাকা দেওয়া এবং নেওয়ার অভ্যাস আছে তাহলে তা পরিহার করে আসুন ।

এইবার চলুন কিভাবে এই হসপিটালে যাবেন। আপনি বাংলাদেশ থেকে দুই ভাবে যেতে পারবেন একটা হচ্ছে এয়ার অন্যাটা হচ্ছে ট্রেন । বলে রাখা ভালো আমি এয়ারি গিয়েছি তাই ট্রেনের সব গুলো বিষয় জানা নেই তবুও সহযোগিতা করবো।

যদি এয়ারে যান তাহলে আপনি সরাসরি ঢাকা থেকে চেন্নাই যেতে পারবেন আরেকটা কাজ করতে পারেন কলকাতা থেকে চেন্নাই । তাও যেতে পারেন । ঢাকা থেকে চেন্নাই যাওয়ার জন্য যদি এয়ার নির্বাচন করেন তাহলে চেষ্টা করবেন যাওয়ার ১০ থেকে ১৫ দিন আগে টিকেট কেটে রাখার। তাহলে খরচ কম হবে ।
খরচ বাড়ানো কমানোর দায়িত্ব আপনার আমার না :P ।

যদি ট্রেনে যেতে চান তাহলে আপনাকে প্রথমে কলকাতা যেতে হবে কলকাতা থেকে চেন্নাই এভেল এভেল ট্রেন আছে। ভারতে ট্রেনের ব্যাবস্থা খুব ভালো। কলকাতা থেকে ট্রেনে করে চেন্নাই যেতে আপনার সময় লাগবে ৪০ থেকে ৪৫ ঘন্টা অনেকটা দুই দিনের মত। আপনাকে প্রথমে চেন্নাই আসতে হবে। চেন্নাই থেকে বাস যোগে অথবা ট্রেন যোগে ভ্যালুর যেতে হবে। চেন্নাই থেকে বাসে ভ্যালুর যাওয়াই ভালো আমি মনে করি ।

বলে রাখা ভালো রবিবার ভারতের সরকারি ছুটি তাই হসপিটালের বাহিরের কার্যকম বন্ধ থাকে তাই রবিবার কে মাথা রেখে কাজ করবেন। 

 এই অংশে বলবো খরচের বিষয়ে এই হসপিটালে যাওয়া আসায় এবং থাকায় যে খরচ চিকিৎসা খরচ তারচেয়ে কম মনে হয় । হসপিটালে ডাক্তারের ফি খুব বেশি না আর যে খুব যে কম তাও বলবো না। রোগ আর রোগের ধরন বুঝে খরছ, আপনার অসুস্থতা যদি বেশি হয় বেশি টেস্টের ধরকার হয় তাহলে বেশি টেস্ট করবে আর বেশি টেস্ট করলে বেশি খরচ হবে। তবে তুলনা মুলক কম আছে বলে আমার মনে হয় ।

এই হসপিটালের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে প্রথমে আপনি যখন যাবেন এদের সিস্টেম হয়তো আপনার কাছে খুব বিরক্ত লাগবে। কেননা আপনি হাসপাতালে যেই দিন যাবেন সেই দিনই চিকিৎসা নিতে পারবেন না। কেননা প্রথমে এপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে। অনেকে অনলাইনে এপয়েন্টমেন্ট নিয়ে থাকে তবে তা কাজে আসে না। কেননা আমরা করতে গিয়ে ছোট খাটো ধরা খেয়েছি। যাই হোক এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য আলেদা একটা বিল্ডিং আছে। মনে রাখবেন সবসময় যে কোন সাহায্যের জন্য ওখানকার গার্ডদের বলবেন ওরা সাহায্য করবে। চেস্টা করবেন হিন্দি কিংবা ইংলিশ বলতে। যেখানে
নিচের ছবির বিল্ডিং আপনি এপয়েন্টমেন্ট পাবেন ।




গুগোল ম্যাপ দেখতে লিংকে ক্লিক করুন ।  অ্যাপয়েন্টমেন্ট ব্লিডিং



এপয়েন্টমেন্ট নিতে গেলে অবশ্যই পাসপোর্ট নিয়ে যাবেন আপনি যেখানে উঠেছে সেখানকার এড্রেস, মোবাইল নাম্বার নিয়ে যাবে। সাথে পাসপোর্ট সাইজের ছবি সাথে রাখবেন বাংলাদেশ থেকে যাওয়ার সময় কিছু কাগজ পত্র সাথে নিয়ে যাবেন । পাসপোর্টের এবং ন্যাশেনাল আইডির ফটোকবি ছবি ।  
এপয়নেটমেন্ট ডেট নিতে হলে কিছু কিছু সমস্যা হয় যেমন ডাক্তারের সিরিয়াল, আপনাকে বুঝাইতে হবে আপনি বাংলাদেশ থেকে এসেছেন আপনার অবস্থা সিরিয়াস, একটু আর্লি যেন এপয়েন্টমেন্ট দেয়। এইখানে জেনারেল এবং প্রাইভেট আছে প্রাইভেট এবং জেনারের দুই ডাক্তার সেইম । আর্লি মনে করলে প্রাইভেট দেখাতে পারেন । খুব গুরুত্বপূর্ন হচ্ছে ক্যাশ কার্ড প্রথম যেদিন এপয়েন্টমেন্ট নিবেন সেই দিনই তারা হয়তো বলবে ক্যাশকার্ড লাগবে কিনা । আপনি নিয়ে নিতে পারেন ।

ক্যাশ কার্ডের সুবিদা হচ্ছে আপনি এই কার্ডে টাকা ঠুকায় রাখবেন টাকা পকেটে নিয়ে ঘুরতে হবে না । ডাক্তার দেখাবেন টাকা লাগবে এই কার্ড দিলেই তারা কেটে রাখবে । কত খরছ হচ্ছে আরপনি দেখতে পাবেন । আবার যখন দেশে চলে আসবেন তখন আপনার টাকা আপনাকে ফেরত দিয়ে দিবে।

আপনি কোন ডাক্তার দেখাবেন তা আপনি বলার কিছু নাই তারাই বলে দিবে। আর ওদের খুব জিজ্ঞাস করতেও হয় না যদি আপনি বুদ্ধিমান হন । কখন কোথায় যেতে হবে তা লিখা থাকে কাগজে মানে হচ্ছে আপনি যখন অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাবেন তখন আপনাকে একটা কাগজ দিবে । সেই কাগজে লিখা থাকবে আপনার এপয়েন্টমেন্ট কবে কখন এবং কোথায় যেতে হবে।

ওপিডি নামে একটা বিল্ডিং আচ্ছে যেখানে বেশিরভাগ রুগিদের যেতে হয়। 
আরো একটা গুরুত্বপূর্ন বিষয় হচ্ছে পুলিশের ভ্যারিপিকেশন ডাক্তারের এপয়েন্টমেন্ট পাওয়ার পরে আপনাকে পুলিশের কাছ থেকে পাস কার্ড নিতে হবে । সেই কাজটা নিয়ে আপনাকে খুব চিন্তা করতে হবে না। আপনি যে বাসায় উঠবেন সেই বাসা কিংবা হোটেলের দায়িত্বরত লোকেরা আপনাকে বলে দিবে কিভাবে কি করতে হবে। বিশেষ করে তারা একটা সি ফরম পুরন করে দিবে সাথে মেডিকেল ডোকমেন্ট দিয়ে । সেই সব গুলো হসপিটালের কাছে থানা আছে সেখানে গিয়ে জমা দিলেই তারা একটা কার্ড দিবে। এই কাজটা করতে হয়।

বাকি কথা গুলোর জন্য একটু অপক্ষা করুন। ধন্যবাদ




Continue Reading

মিশন সাজেক ভ্যালি পর্ব-২

কিভাবে যাবেন সাজেক ভ্যালি

?  মিশন সাজেক ভ্যালির দ্বিতীয় পর্বে আমরা তেমন কিছুই জানবো না । জানবো শুধু ভ্রমনের স্থান গুলোর নাম বলবো। সাজেক মানে শুধু সাজেক না, বিষয়টা অনেকটা এই রকম যে একটি কিনলে একটি ফ্রি। চলুন জানি কি কি ফ্রি পাবেন, প্রথমে পাবেন আলুটিলা গুহা,সার্কেট হাউস, যেখান থেকে আপনি পুরো খাগড়াছড়ি শহরটি দেখতে পাবেন।
একদমি ভুল করবেন না রিচাংঝর্না দেখতে একদমি ভুল করবেন না। মনে রখবেন অবশ্যই মনে রাখবেন যে!!  যখন চান্দের গাড়ি রিসার্ভ করবেন তখন অবশ্যই ড্রাইভারিকে জিজ্ঞাস করবেন সে কোথায় কোথায় আপনাকে ঘুরাতে নিয়ে যাবে। তখন অবশ্যই লোকেশ গুলোর নাম বলে রাখবেন।



এই বার বলবো গাড়ির কথা-
 ঢাকা টু খাগড়াছড়ি = শ্যামলী , হানিফ ভাড়া= ৫২০
শ্যামলী পরিবহন  কল্যানপুর= ৯০০৩৩৩১

খাগড়াছড়ি থেকে সাজেক চান্দের গাড়ি ভাড়া নিয়ে ৮০০০ থেকে ১০০০০ আরো কমেও যেতে পারবেন অবশ্যই তাদের সাথে কথা বলে দাম কশাকশি করে নিবেন।

সাজেকে থাকা নিয়ে চিন্তার তেমন কিছুই নেই। যথেষ্ট কটেজ আছে আপনি গিয়ে পচন্দ মত একটা কটেজে উঠতে পারেন আমি শুধু একটি মত্র কটেজের নাম্বার দিচ্ছি ।

মেঘ মাচাংঃ ০১৮২২১৬৮৮৭৭ ।

লেখাটা আরো দীর্ঘায়িত না করে আপনার সাজেকের ঊদ্দেশ্যে রওনা হাওয়ার আহ্বান জানিয়ে শেষ করবো । ধন্যবাদ সবাইকে কোন তথ্য জানতে চাইলে অবশ্য কমেন্ট করতে পারেন ।

 
Continue Reading

মিশন সাজেক ভ্যালি

 

ভ্রমন পিপাসুদের জন্য আমার সামান্য প্রচেষ্টা সবসময় থাকবে 


চলুন আজকে ঘুরে আসি সাজেক ভ্যালি থেকে। বাংলাদেশের মত ছোট একটা দেশে দেখার কত কিনা আছে। ভ্রমন পিয়াসুদের জন্য সাজেক ভ্যালে প্রকৃতির সুন্দরের আরেক লিলা ভুমি। প্রকৃতির এই সুন্দর কে সহজে উপভোগ করে তোলার জন্য কাজ করেছে এবং করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে এই সুন্দর উপভোগ করতে আসতে পারেন সপরিবারে কেননা এটি পাহাড়ি পথ হলেও যাতায়তের সুব্যাবস্থা আছে। আর্মিরা এইখানে রাস্তা ঘাটগুলো সুন্দর ভাবে তৈরি করেছেন।

চলুন এইবার যাওয়া যাক কিভাবে যেতে পারেন আপনি সাজেক। আপনি বাংলাদেশের যেপ্রান্তেই থাকুন না কেন আপনে প্রথমে আসতে হবে খাগড়াছড়ি। আপনি যদি পৃথিবীর অন্য কোন প্রান্তে থাকেন কোন সমস্যা নাই, বাংলাদেশের ভিসা নিয়ে চলে আসতে পারেন। আপনি যখন খাগড়াছড়ি চলে আসবেন তার পর থেকে আপনাকে শুরু করতে হবে মুল প্ল্যান, তার আগে বলে রাখি ঢাকা থেকে যারা আসতে চান তারা শ্যামলি, হানিফ এই বাস গুলো পাবেন , চেষ্টা করবেন টিকেট গুলো ভ্রমনের দুই থেকে তিন দিন আগে টিকেট কেটে রাখবেন। তাহলে ভ্রমন সহজ হবে। এইবার যাওয়া যাক সাজেকের দিকে ......। 
J 



   হুররে আমরা এখন যাবো সাজেক ভ্যালি !! কি মজা কি মজা ... 
খাগড়াছড়ি আসার পর আপনার প্রথম কাজ চান্দের গাড়ি ঠিক করা , বাস আপনাকে   যেখানে নামিয়ে দিবে সেই খানে চান্দের গাড়ি পাবেন অথবা একটু সামনে এগিয়ে গিয়ে শাপলা চত্বরে গেলেও পাবেন। চেষ্টা করবো কয়েক জন ড্রাইভারের নাম্বার দিতে।  








বলে রাখা ভালো বর্তমানে চান্দের গাড়ি গুলো আর্মিদের নিরাপত্তায় সাজেকে যায়, তাই গাড়ি দিনে দুই বার যায় একবার যায় সকালে আরেকবার যায় দুপুরে, বিকেল ৩টার পরে কোন গাড়ি সাজেকের উদ্দ্যেশে রওনা করতে পারেন না। তাই আপনারা যারা দেশের ভিবিন্ন স্থান থেকে আসবেন তারা অবশ্যই সকালের মধ্যে আসতে হবে তা না হলে খাগাড়াছড়ি অবস্থান করতে হবে। আসলে এই বিষয়টা আপনার আপনি কি খাগড়াছড়ি অবস্থান করবেন নাকি করবেন না তা আপনার ব্যাপার আমি শুধু আপনাকে জানিয়ে দিলাম।










 এইবার চলুন গাড়ি ভাড়ার কথা আপনি যখন চান্দের গাড়ি ভাড়া করবেন তখন অবশ্যই মনে রাখবেন, সে আপনাকে কোথায় কোথায় ঘুরাতে নিয়ে যাবে । কেননা এই একটা চান্দের গাড়িতে করে আপনি সাজেক যাবেন তারপরে, আলুটিলা গুহা, তারেং, ঝর্না। সবকটি যায়গায় যেতে পারবেন। ভাড়া দিবেন ৬০০০ থেকে ৭০০০টাকা । সুতারাং এই বিষয়টা মাথায় রাখবেন । আর গাড়ি আপনাদের সাথে থাকবে দুই দিন।

গাড়িও পেয়ে গেলেন গাড়ির দাম ও হল এইবার গাড়িতে উঠে বসুন। অনেক কিছুই তো বললাম খাবার-দাবার কি হবে না? অবশ্যই হবে! তবে নিজ দায়িত্বে। খাগড়াছড়ি যদি খুব খুদা লাগে তাহলে খাগড়াছড়ি খেয়ে নিবেন বেশ কিছু হোটেল আছে। এই ক্ষেত্রে আমার অভিজ্ঞতা খুব একটা নেই , তবে সুযোগ পেলে ব্যাম্বো চিকেন বা রাইস খেতে ভুলবেন না। মোটামুটী জনপ্রিয় খরচ একটু বেশি।





কষ্ট করে চান্দের গাড়িতে আরাম করে বসেন!! :P গাড়ি রওনা হয়ে গেলো সাজেক ভ্যালির উদ্দেশে । মাঝ পথে আপনাদের থামতে হবে আর্মিদের থেকে অনুমতি নেওয়ার জন্য । অনুমতি টনুমতি নিয়ে বো-বো-বো করে গাড়ি চলছে সাজেকের উদ্দেশ্যে। কোথাও উচু কোথাও নিছু একবার উপরে উঠবে আবার নিছে নামবে এইভাবে চলতে থাকবে. গাড়ি থামা থামির নাম নেই একসাথে স্যাজেক ভেলি। 

ওহোও ! আসল কথাই তো বলতে ভুলে গেছি । আপনারা চাইলে গাড়ির চাদে করেও যেতে পারেন যদি মনে সাহস থাকে , তবে রাজন ভাইয়ের মত কেই থাকলে ঊঠার ধরকার নাই । 



Continue Reading

সাদা কালো মেঘ

হারতে হারতে, কাঁদতে কাঁদতে, 
কোথায় গিয়ে থামবে আমার তরী। 
এই ধরনী ধরতে গিয়ে, বলতে হল হায়। 
কোথায় সবাই মুখ লুকিয়ে যায়। 

এই তরীতে একলা আমি, কোথায় আমার তির। 
কোথায় আমার স্বপ্ন গুলো, কোথায় আমার বাড়ি
হারতে হারতে হারিয়ে গেলাম।
নেইকো আমার খোজ, এই বুঝি হায়!!
অবুজ মনের নেইকোন বুঝ।




Continue Reading

নাফ নদীর কান্না

নাফ নদীর কান্না
ক্ষতবিক্ষত হয়েছে নাফ নদী আরকানীদের রক্তে রঞ্জিত এর জলরাশি কোথাও হাত, কোথাও পা , কোথাও মাথা ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকা, এই যেন নাফ নদীর কান্না। এই পৃথিবীর কাটা তারের বেড়া জালে মৃতুর প্রহর গুনছে আরকানীরা নাফ নদী হয়েছে আজ লহিত সাগর কোথাও নেই এক মুঠো আত্মা রক্ষার ঠাই এই যেন নাফ নদীর কান্না। আরকানীদের চিৎকারে ভারি হচ্ছে এই পৃথিবীর আকাশ বাতাশ এই যেন নাফ নদীর কান্না।

Continue Reading