ক্যান্সার নিরাময় যোগ্য

পৃথিবীতে মানুষ স্থায়ী ভাবে বসবাস করতে আসেনি। আজ হোক কাল হোক তাকে মৃত্যু বরন করতে হবে এমন সত্য কে মেনে নিয়েই আমাদের পথচলতে হয়। কিন্তু মানুষ জানে না তার মৃত্যু তারিখ তাই সে স্বপ্ন বুনে অনেক দিন বেঁচে থাকার । আর মানুষ যদি জানতো তার মৃত্যুর তারিখ তাহলে পৃথিবীটা স্থীর হয়ে যেতো। থেমে যেতো পৃথিবীর মানুষের এই কর্ম ব্যাস্ততা। তাই আমি মনে করি ক্যান্সার নিরাময় যোগ্য 

বর্তমানে এই কর্ম ব্যাস্ততাকে থামিয়ে দিচ্ছে ক্যান্সার নামক মরন ব্যাধি। মানুষের শরিরে যখন ক্যান্সার নামক জীবানু একবার তৈরি হয়  মানুষ এমন কি একটা পরিবারের জন্য সারা জীবনের জন্য কান্নার কারন হয়ে যায় ।

আমি বলবো একটু ভিন্ন ভাবে। মরন যেহেতু সুনিশ্চিত তখন এই ক্যান্সারকে ভয় করে কোন লাভ নেই। আপনার মনের শক্তিকে আরো জোরালো করেন। এইটা ভাবতে শুরু করেন যে ক্যান্সারের কারনে আপনার মৃত্যু হচ্ছে না মৃত্যু হচ্ছে আল্লহা চাইছে , আর আপনার মৃত্যু হবে তাই মৃত্যু । ক্যান্সার একটা কারন হতে পারেন তবে প্রধান কারন নয়।

আমি ডাক্তার না, তাই আপনাদের কে ক্যান্সারের কারন বলতে পারবো না এবং চিকিৎসা বলতে পারবো না তবে কিছু তথ্য দিতে পারবো যা আপনাকে সাহায্য করবে মনে সাহস নিয়ে সঠিক চিকিৎসা করতে। ক্যান্সারের চিকিৎসা অনেকটা ব্যায় বহুল তাই আমি কিছু তথ্য দিব যাতে করে আপনি খরচ কমাতে পারেন এবং সঠিক চিকিৎসা নিতে পারেন।

চলুন জানা যাক কিভাবে চিকিৎসা শুরু করা যায়। তার আগে বলে রাখি পৃথিবীতে ভিবিন্ন ধরনের ক্যান্সার আছে যেমন ব্রোন ক্যান্সার , ব্রেস্ট ক্যান্সার , জরায়ুতে ক্যান্সার, স্কিন ক্যান্সার দেহের প্রতিটি অঙ্গ প্রত্যঙ্গে ক্যান্সার হতে পারে । কেননা ক্যান্সারের পূর্ব শর্ত টিউমার । ক্যান্সার একা একা জন্ম হয় না। এবং ভাইরাস জাতীয় রোগ না । ক্যান্সার সাধারনত টিউমার থেকে হয়ে থাকে ।

যাই হোক চলুন জানা যাক ক্যান্সারের চিকিতসা বিষয়ে। একজন অনকোলজিস্ট বলতে পারে আপনার ক্যান্সার হয়েছে কিনা? একজন সাধারন ডাক্তার বলতে পারে তবে মনে রাখতে হবে অনকোলজিস্টের কাজই হচ্ছে ক্যান্সার নিরাময় করা চিকিৎসা করা। একজন অনকোলজিস্ট যদি বলে থাকেন আপনার ক্যান্সার তাহলে আপনার ক্যান্সার।



 সাধারনত এই ভিবাগের ডাক্তাররা বেশ দক্ষ এবং মানুষের জন্য নিবেদিত , দুই একজন ছাড়া। আপনার ক্যান্সার হয়েছে এই বিষয়টা শিউর হওয়ার জন্য আপনাকে অনেক গুলো টেস্ট করতে হবে তবে তার মধ্যে দুইটা টেস্ট আছে যার মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারবেন আপনার ক্যান্সারের অবস্থা এবং আধো কি ক্যান্সারের জীবানু আপনার শরীরে আছ কিনা। টেস্ট দুইটা হচ্ছে এফএনেসি বা বায়োপসি। এই দুইটি টেস্টের মাধ্যমে সাধারনত ক্যান্সার নির্নয় করা হয়ে থাকে এর পরে আপনাকে আরো অনেক গুলো টেস্ট করতে হবে ক্যান্সারের আকার আকৃতি অবস্থা এবং কি ধরনের মেডিসিন দিতে হবে এই জন্য ।  আজকে এই পর্যন্ত !

আমি নিজেকে একজন ক্যান্সার সচেতন কর্মি হিসাবে বলছি ।
চাইলে আমাদের ফেইসবুক গ্রপে  এড হতে পারেন ।

No comments:

Post a Comment